খেলাধুলা

এবার ওয়ার্নার ফিরতে কপাল পুড়বে যে তারকার

কেপটাউন টেস্টের তৃতীয় দিন বল ট্যাম্পারিং বা ইচ্ছাকৃতভাবে বলের আকার বদলানোর পরিকল্পনা করার অপরাধে স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে ১২ মাসের জন্য সব ধরণের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ক্রিকেট ছাড়া এক মুহূর্তও চলে না, সেটা ছেড়ে এক বছর! অনুতপ্ত ডেভিড ওয়ার্নার যেন সব অন্ধকার দেখতে পাচ্ছিলেন। আর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সর্বশেষ আসরে খেলতে পারেননি তিনি, হারিয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়কত্ব। তবে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরেছেন আইপিএলের এবারের আসরে। আইপিএলের পাশাপাশি ফিরছেন জাতীয় দলেও।

ওয়ার্নার না থাকায় তার যায়গায় দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়া দলে ব্রাত্য ছিলেন উসমান খাজা। লম্বা বিরতির পর জাতীয় দলে ডাক পেয়েই জ্বলে উঠেছেন তিনি। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নার ফিরলে জায়গা হারাতে হতে পারে তাকে। তবে এ নিয়ে মোটেও ভাবছেন না এ ইনফর্ম ওপেনার। চাচ্ছেন খেলাটা উপভোগ করতে। গেল জানুয়ারিতে ঘরের মাঠের ভারতের বিপক্ষে সিরিজে অজি মূল দলে ডাক পান উসমান। ফিরেই ব্যাট হাতে সমুচিত জবাব দিচ্ছেন পাকিস্তান বংশোদ্ভূত ব্যাটার। সবশেষ ১০ ইনিংসের ছয়টিতেই করেছেন অর্ধশতাধিক রান। এর মধ্যে হাঁকিয়েছেন দুটি শতকও। আর এখন তার ফর্ম তুঙ্গে। তবে এখনই বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে ভাবছেন না উসমান।

ওয়ার্নার নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফিরছেন। আর সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আসন্ন বিশ্বকাপ মাতাবেন তিনি। যে কারণে ক্রিকেটের বৈশ্বিক আসরে আগুন্তককে নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে পারে খাজাকে।

লম্বা স্বামী আর খাটো স্ত্রীর সংসারই সবচেয়ে সুখের হয়, কারণ

বিয়ের সময়ে লম্বা পাত্রদের জন্য সমান উচ্চতার পাত্রী খোঁজা হলেও গবেষকদের মতে, খাটো স্ত্রী থাকলেই নাকি সংসার বেশি সুখের হয়। সিউলের কনকুক ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক এবং গবেষক কিটাই সনের গবেষণাটি করা হয়েছে ৭৮৫০ নারীর ওপরে। দেখা গেছে সুখী দাম্পত্যের সঙ্গে স্বামীর উচ্চতার সঙ্গে সম্পর্ক আছে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারী যে নারীদের স্বামীর উচ্চতা বেশি, তারা অন্যদের চাইতে নিজেদেরকে বেশি সুখী বলে দাবি করেছেন।

সঠিক কারণ কেউ না জানালেও গবেষকের মতে নারীরা সাধারণত পুরুষের প্রতিই বেশি আকৃষ্ট হয়ে থাকেন। লম্বা পুরুষরা শক্তিশালী হয় এবং স্ত্রীরা তাদের উচ্চতায় মুগ্ধ থাকে এবং নিরাপদ বোধ করে। তবে এই আকর্ষণ বিয়ের পর মাত্র ১৮ বছর থাকে। এরপর উচ্চতার আর কোনো প্রভাব থাকে না সংসারে। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, উচ্চতা বেশি হওয়ার কারণে দেখতে স্মার্ট দেখায়। ফলে কর্মক্ষেত্রেও লম্বা পুরুষরা সফলতা পায়। তাদের আত্মবিশ্বাস বেশি থাকায় সঙ্গীকে নিয়ে কখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে না তারা।

ফলে দাম্পত্য সম্পর্কে জটিলতা কম থাকে। পোল্যান্ডের একজন নৃতত্ত্ববিদ তার একটি গবেষণায় বলেছেন, জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অর্থ, সম্মান এবং বিশ্বাস কিছুই না দেখে উচ্চতা দেখা উচিত। তার মতে, একজন নারীর তুলনায় পুরুষের ১.০৯ গুন বেশি লম্বা হওয়া জরুরি। উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধা হতে পারে। ভিক্টোরিয়া বেকহামের চাইতে ডেভিড বেকহামের উচ্চতা ১.০৯গুন বেশি।

Comment here